দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পিপিপির সহযোগিতা প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পিপিপির সহযোগিতা প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

96
0
SHARE

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরো জোরদারে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপকে (পিপিপি) অধিকতর শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী এবং পিপিপি বোর্ড অব গভর্ন্যান্সের সভাপতি শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার তার কার্যালয়ে বোর্ডের প্রথম সভায় সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার দেশের উন্নয়নের গতিকে আরো ত্বরান্বিত করতে চায়। তবে সরকারের একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। এ জন্য পিপিপির সহযোগিতা প্রয়োজন। পিপিপির কনসেপ্ট মাথায় রেখে অগ্রগতি থেকে আরো সুফল লাভে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে বলেন, সেখানে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, ‘সভায় বিগত কয়েক বছরের পিপিপি কার্যক্রমের বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।’

সভায় জানানো হয়, পিপিপি পাইপলাইনে বিভিন্ন খাতের ৪৩টি প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পে সম্ভাব্য ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আসবে।

এ ছাড়া পিপিপি প্রকল্পগুলোর উন্নয়ন, বেসরকারি অংশীদার নির্বাচন এবং চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর এবং সামগ্রিক বিনিয়োগের সম্ভাব্য পরিমাণ ও সময় সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।

এতে জানানো হয়, ছয়টি প্রকল্পের চূড়ান্ত চুক্তি হয়েছে। পিপিপি কারিগরি তহবিলের ৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৮টি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পগুলোতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আসতে পারে।

এ ছাড়া বেসরকারি অংশীদার নির্বাচনের চূড়ান্তÍপর্যায়ে ১১টি প্রকল্পে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হতে পারে। সম্ভাব্য ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে ১০টি প্রকল্প সমীক্ষার কাজ যাচাই পর্যায়ে রয়েছে।

প্রেসসচিব বলেন, সভায় সংশ্লিষ্ট আইন মোতাবেক বোর্ডের চেয়ারপারসন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী পলিসি ইস্যু এবং পিপিপি কতৃর্পক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব প্রকল্প বাস্তবায়নের বাধা নিরসনের বিষয় তদারকি করবেন।

পিপিপির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে থাকবে বাস্তবায়ন কার্যক্রম।

এ ছাড়া সভায় আনসলিসিটেড প্রস্তাবগুলো চিহ্নিত ও প্রক্রিয়াকরণে একটি গাইডলাইন পেশ করা হয়।

সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব আবুল কালাম আজাদ এবং সংশ্লিষ্ট সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY