নগরীতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় জনদুর্ভোগ চরমে

নগরীতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় জনদুর্ভোগ চরমে

137
0
SHARE

নগরীতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত কয়েকদিন বিকাল থেকে ভোররাত পর্যন্ত দীর্ঘ সময় নগরীতে বিদ্যুত থাকছে না। গতকাল শুক্রবারও বিকাল থেকে নগরীর উপশহর, সোবহানীঘাট, শিবগঞ্জ, টিলাগড়সহ প্রায় অর্ধেক নগরী দীর্ঘ সময় ছিলো বিদ্যুৎবিহীন। এ ব্যাপারে সিলেট বিদ্যুত বিভাগের সাথে সংশিøষ্ট কর্মকর্তারাও সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারছেন না। বিদ্যুতের এই বিপর্যয়ের ফলে মানুষের ভোগান্তি প্রায় অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছেছে।
বিশেষ করে আষাঢ় মাসের ভ্যাপসা গরম আর বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা চলাকালীন সময়ে বিদ্যুতের এই ভেল্কিবাজি জনগণের ÿোভ বাড়িয়েছে কয়েকগুন। ফলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে অপ্রীতিকর ঘটনা। গতকাল নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন দৈনিক জালালাবাদে বারবার টেলিফোন করে তাদের ÿোভের কথা জানান। তারা জানান বারবার বিদ্যুত অফিসে ফোন করলেও কেউ ফোন রিসিভ করে না। যদি কোন সময় তা রিসিভ হয় তবে দেখছি বলে লাইন কেটে দেয়া হয়। বিদ্যুত বিভাগের এই ‘দেখা’ রাত পেরিয়ে ভোর হয়ে যায়। এসময় অনেকে জানান, সারারাত নির্ঘুম থাকবার পর সকালে অফিস আদালত গিয়ে ঠিকমতো কাজকর্ম করতে পারছেন না। এÿেত্রে সবচেয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন অভিভাবকরা তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে। বিশেষ করে এখন অনেক স্কুলেই পরীÿা থাকায় ঠিকমতো তারা পড়াশোনা করতে পারছেনা। অনেক শিশুই স্কুলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সিলেট শাহজালাল উপশহর ই বøকের বাসিন্দা ডাঃ আরিফ রাত ৮টার দিকে ফোন করে জানান, তাদের এলাকায় বিকেল থেকে বিদ্যুত নেই। বারবার বিদ্যুত অফিসের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলেও কেউ ফোন রিসিভ করছে না। ফলে বাধ্য হয়ে তিনি এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা জানাবার জন্য পত্রিকা অফিসে ফোন দিয়েছেন।
বিশ্ব¯Í সূত্রে জানা গেছে, সিলেটে বিদ্যুত নিয়ন্ত্রণ করা হয় কুমারগাঁও সেন্ট্রাল গ্রিডের ৩৩/১১-১৩ এমভিএ ২টি ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে। গত বুধবার রাত ১২টার দিকে ১টি ট্রান্সফরমারের ৩৩ কেভি কন্ট্রোলব্রেকারের আংশিক সার্কিট জ্বলে যায়। মূলত এ কারণেই এ বিপর্যয়। তবে গ্রাহকদের দাবি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার ঘাটতিই মূলত সিলেটে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ। একাধিকবার ফোন হলেও তা রিসিভ না করা এর একটি বড়ো প্রমাণ। (127 বার পড়া হয়েছে)

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY