শেখ হাসিনার বিন্দুমাত্র লজ্জা সরম নেই, গণতান্ত্রিক দেশ বৃটেনে স্বৈরাচারের জায়গা হবে...

শেখ হাসিনার বিন্দুমাত্র লজ্জা সরম নেই, গণতান্ত্রিক দেশ বৃটেনে স্বৈরাচারের জায়গা হবে না

286
0
SHARE

লন্ডনের শেখ হাসিনার অবস্থানরত তাজ হোটেলের সামনে দ্বিতীয় দিনের মতো ২০ দলীয় তীব্র বিক্ষোভ অব্যাহত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লন্ডন সফরকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভ করছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের নেতা কর্মীরা।

নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন, বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের দমন-পীড়নসহ গুম-খুন ইস্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভিন্ন দাবি দাওয়া সংক্রান্ত পোস্টারসহ তারা স্লোগানও দেয়।

দ্বিতীয় দিনেও তীব্র বিক্ষোভ মুখে পড়ে শেখ হাসিনা ও তাঁর দলের নেতা কর্মীরা। সোমবার বেলা তিনটার দিকে বিএনপির একটি বিশাল মিছিল তাজ হোটেলের সামনে দিয়ে আসার সময় আতঙ্কিত শেখ হাসিনা তাঁর হোটেলের রূমের জানালা বন্ধ করে দেয় এবং আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা ভয়ে দ্রুত পালিয়ে হোটেলের ভিতরে প্রবেশ করে।

গত রোববার বিক্ষোভের সময় আওয়ামী লীগের কিছু সমর্থক উপস্থিত থাকলেও কিন্তু সোমবারের বিএনপির বিক্ষোভের পাল্টা জবাবে আওয়ামী লীগের মাত্র আট জন নেতা কর্মীকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।

এদিকে শেখ হাসিনা বারবার তাজ হোটেলের জানালা দিয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দিয়ে দেখছে বাহিরের পরিবেশ কখন শান্ত হবে এবং বোনের মেয়ের বাসায় যাবে। গতকাল হাসিনা লন্ডনের তাজ হোটেলে আতঙ্কিত অবস্থায় সময় পার করেছে । বিশ দলীয় জোটের প্রতিবাদ বিক্ষোভের মুখে আজ সারাদিন হোটেল থেকে বাহিরে বের হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরকে কেন্দ্র করে সেন্ট্রাল লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টারের তাজ হোটেলের সামনে স্থানীয় সময় বেলা ৩ টা থেকে ৭টা পর্যন্ত অবস্থান করে ২০ দলীয় জোটের নেতা কর্মীরা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির বিভিন্ন জোনের নেতাকর্মীরা। গতকাল হাসিনাকে না পেয়ে তাঁর হোটেলের জানালাকে লক্ষ্য করে ২০ দলীয় জোটের নেতা কর্মীরা বৃষ্টির মতো বোতল, পঁচা ডিম, ঝাড়ু, জুতা, ঢিল ছুড়ে মারতে থাকে। আর নেতা কর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকে।

বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক বলেন, ‘বাংলাদেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে কোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে। অবিলম্বে হাসিনাকে পদত্যাগ করে জাতীয় নির্বাচন দিতে হাসিনাকে বাধ্য করা হবে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY