বিজিএমইএর অনুষ্ঠানে জার্মান রাষ্ট্রদূত পোশাক নিতে জার্মানির পছন্দ বাংলাদেশ

বিজিএমইএর অনুষ্ঠানে জার্মান রাষ্ট্রদূত পোশাক নিতে জার্মানির পছন্দ বাংলাদেশ

80
0
SHARE

জার্মানির ক্রেতাদের জন্য উন্নত মানের পোশাক আমদানির নির্ভরযোগ্য গন্তব্যস্থল বাংলাদেশ।
ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত থমাস প্রিঞ্জ গতকাল মঙ্গলবার ‘বিজিএমইএ-বিইউএফটি জার্নালিজম ফেলোশিপ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। ঢাকায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, জার্মানিতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি দ্বিগুণ করার ব্যাপারে এখন চেষ্টা চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, জিআইজেডের কর্মসূচি সমন্বয়কারী জোসেন উইকার্ট এবং ফেলোশিপের পরামর্শক ও ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত। বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারুক হাসান, সহসভাপতি মোহাম্মদ নাসিরসহ অন্য পরিচালকেরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জার্মান সংস্থা জিআইজেড ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন টেকনোলজির (বিইউএফটি) সহযোগিতায় পোশাক খাত নিয়ে কাজ করার জন্য প্রথমবারের মতো দেশের তিন সাংবাদিককে ফেলোশিপ দিয়েছে বিজিএমইএ। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর জন্যই আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলনের।
ফেলোশিপ পেয়েছেন কালের কণ্ঠর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রাজিব আহমেদ, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদক মনিরা মুন্নি ও ৭১ টিভির প্রতিবেদক জাহেদুল ইসলাম মজুমদার। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত জার্মানির বার্লিন ও হামবুর্গে তাঁরা ‘বাণিজ্য সাংবাদিকতায় নৈতিকতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ নেবেন।
জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা চাই বাংলাদেশের পোশাক খাত আরও ভালো জায়গায় দাঁড়াক। এ জন্য অবশ্য পারস্পরিক বোঝাপড়া দরকার।’ তিনি বলেন, ‘রানা প্লাজা দুর্ঘটনা জার্মানির মানুষের মনে গেঁথে আছে। কিন্তু এরপর বাংলাদেশের পোশাক খাত কত দূর এগোল, তা জার্মানির কেউ জানে না।’
পোশাকের ন্যায্যমূল্য এখন একটি আলোচিত বিষয় উল্লেখ করে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের প্রশ্ন, ‘ন্যায্যমূল্যটা কী? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেসব ব্র্যান্ড বাজারে চালু রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে বিস্তর প্রতিযোগিতা। সুতরাং, ন্যায্যমূল্যটা খুঁজে পাওয়া কঠিন। এমনকি জার্মানিতেও আমরা নিজেদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাই না।’
বিজিএমইএর সভাপতি বিশ্লেষণমূলক, তাৎপর্যবাহী ও সুগভীর গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন তৈরি করে পোশাকশিল্পে অবদান রাখার জন্য ফেলোশিপ পাওয়া সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
বিজিএমইএর সভাপতি ভবিষ্যতে টিভি চ্যানেল, বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকা, রেডিও ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল—এই পাঁচ শ্রেণিতে ফেলোশিপ প্রদানের ঘোষণা দেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY