সংশোধিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় কোম্পানি চূড়ান্ত অনুমোদন পেল এক্মি ল্যাবরেটরিজ

সংশোধিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় কোম্পানি চূড়ান্ত অনুমোদন পেল এক্মি ল্যাবরেটরিজ

102
0
SHARE

ওষুধ খাতের কোম্পানি এক্মি ল্যাবরেটরিজকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পাঁচ কোটি শেয়ার ছাড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে কোম্পানিটিকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ারের দরপ্রস্তাবে অংশ নেন। প্রস্তাবিত দামের ভিত্তিতে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয়মূল্য ঠিক হয় ৮৫ টাকা ২০ পয়সা। ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ৭৫ টাকা ২০ পয়সা অধিমূল্য বা প্রিমিয়াম যোগ করে এ বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়েছে।
সংশোধিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী, প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার বিক্রি হবে ১০ শতাংশ ছাড়ে ৭৭ টাকা দামে।
২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসের পর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিটি সংশোধন করা হয়। সংশোধিত এ পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত বাজারে আসা এটি দ্বিতীয় কোম্পানি। এর আগে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন সংশোধিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রথম কোম্পানি হিসেবে বাজারে আসে।
বিএসইসি জানিয়েছে, কোম্পানিটির পাঁচ কোটি শেয়ারের মধ্যে তিন কোটি বা ৬০ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দ রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য। এর মধ্যে আবার আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৫০ লাখ মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য বরাদ্দ। আর এ তিন কোটি শেয়ার বিক্রি হবে ৮৫ টাকা ২০ পয়সায়। বাকি দুই কোটি শেয়ারের প্রতিটি ৭৭ টাকা দামে আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।
বিএসইসি আরও জানিয়েছে, পাঁচ কোটি শেয়ার ছেড়ে এক্মি ল্যাবরেটরিজ প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৪১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত টাকায় কোম্পানিটি তিনটি নতুন প্রকল্প স্থাপন করবে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত আর্থিক বছরের হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ৫ টাকা ৭০ পয়সা। কোম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট ও প্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY