রানা দাসগুপ্তের ধৃষ্টতা সীমাহীন!

রানা দাসগুপ্তের ধৃষ্টতা সীমাহীন!

229
0
SHARE

রানা দাসগুপ্তের ধৃষ্টতা সীমাহীন! একদিকে সে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আহবান করতেছে -বাংলাদেশে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে, আবার দিল্লিতে গিয়ে মোদির সাথে দেখা করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দিয়ে আসছে। সেটা আবার পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়ে বলছে। রানা যা করেছে, সেটা পরিস্কার রাষ্ট্রদ্রোহিতা। পৃথিবীর সকল দেশের আইনেই এর জন্য সাজা – মৃত্যুদন্ড। তারপরে রানা এখন সরকারী বেতনভুক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর। এভাবে সে বিদেশী কোনো রাষ্ট্রকে আহবানও করতে পারে না, যেতেও পারে না। এটা ডবল অপরাধ। তাকে চাকরিচ্যুত করে নাগরিকত্ব বাতিল করে রাষ্ট্রের শত্রু ঘোষনা করা হোক। গ্রেফতার করে জেলে রাখা হোক, তারপরে বিধি মেনে ফাঁসিতে ঝোলানো হউক। এটা না করলে কেনো দেশপ্রেমিক নাগরিক এ দন্ড কার্যকর করে ফেললে তখন দোষ দেয়া যাবে না কিন্তু।

রানা দাসগুপ্ত। নামেই যার জাত পরিচত। কিন্তু এ মালটা ছিল বটতলার এক উকিল, ভাত পেতো না। ভারতের পরামর্শে হাসিনা যখন যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে তথাকথিত “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল- আইসিটি” খুললো, তখন দিল্লির সাজেশন মত এই রানাকে এনে একজন প্রসিকিউটর বানালো, কারন রানারা এখদেমে থাকলেও ভারতে তাদের গোড়াঘর, সর্বদা যোগাযোগ রাখে। এরপর থেকে সে শুরু করে হাত বানোনা কাগজ তৈরী, যা দিয়ে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আলী আহসান মুজাহিদ সহ বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের তাগুতি আদালতে ফাঁসি দেওয়ায়। তারপর থেকে সে বিরাট ব্যাটা হয়ে গেলো। সে এখন হিন্দুদের নেতা সেজে লাফালাফি করছে! এদেশে হিন্দুদেরকে জামাই আদরে রাখার পরেও কয়দিন পর পর সে ছুটে যাচ্ছে দিল্লি! রানা দাসের এই রাষ্ট্রদ্রোহী তৎপরতায় আরও অনেকে উৎসাহী হয়ে উঠছে। রাষ্ট্রদ্রোহি এসব তৎপরতা থামাতে ওকে দন্ডটা দেয়া ছাড়া বিকল্প নাই।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY