গুলি চালানোর কথা স্বীকার করলেন ছাত্রলীগ নেতা বিপ্লব

গুলি চালানোর কথা স্বীকার করলেন ছাত্রলীগ নেতা বিপ্লব

79
0
SHARE

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছাত্রলীগ নেতা খালিদ সাইফুল্লাহর হত্যাকারী ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ ব্যাচের ছাত্র বিপ্লব চন্দ্র দাসকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী সংস্থা জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শুক্রবার ঢাকার রামপুরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
শনিবার বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ফাহাদ বিন আমিন চৌধুরীর ৯নং আমলী আদালতে সোপর্দ করা হলে সে খালিদকে গুলি করে হত্যার দায় স্বীকার করে ও জড়িতদের নাম উল্লেখসহ আদালতে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দী দেয়। গ্রেফতারকৃত বিপ্লব জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার সালমানপুর গ্রামের বাবুল চন্দ্র দাসের ছেলে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি’র এসআই মো. শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল শুক্রবার ঢাকার রামপুরা এলাকা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ ব্যাচের ছাত্র বিপ্লব চন্দ্র দাসকে গ্রেফতার করে রাতে কুমিল্লা ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে শনিবার কুমিল্লার আদালতে হাজির করে।
আদালতে বিপ্লব হত্যাকাণ্ডে দায় স্বীকার করে এবং তার সহযোগীদের নাম প্রকাশ করে। সে আরও জানায়, খালিদকে গুলি করে হত্যার পর পিস্তলটি তার এক বন্ধুর নিকট দিয়ে সে ঢাকায় আত্মগোপন করে। ডিবি’র ওসি এ কে এম মনজুর আলম জানান, গ্রেফতারকৃত বিপ্লব হত্যার দায় স্বীকার করে ও ঘটনার সাথে জড়িতদের নাম উল্লেখ করে আদালতে জবানবন্দী দেয়ার পর তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতার ও হত্যার কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত আছে।

গত রোববার রাতে শোকাবহ আগস্টের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মোমবাতি প্রজ্বালনের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিবদমান ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় বিশ্ববিদ্যালয়েল ৭ম ব্যাচের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র ও কবি নজরুল ইসলাম হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ্। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা সাদেক হোসেন মজুমদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দেড়শ জনের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি জেলা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

ওই মামলায় আবুবকর ছিদ্দিক, মো. রেজাউল ইসলাম, জাহিদুল আলম, সুদীপ্ত নাথ, রুপম চন্দ্র দেব নাথ, সজন বরণ বিশ্বাসসহ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ৬ ছাত্রকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত গত বুধবার ওই ছাত্রদের প্রত্যেককে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর শেষে জেলহাজতে প্রেরণ করে। শনিবার তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY