হাসিনার খেলা শেষ- স্বাধীন হবে বাংলাদেশ

হাসিনার খেলা শেষ- স্বাধীন হবে বাংলাদেশ

39467
0
SHARE

হাসিনার খেলা শেষ- স্বাধীন হবে বাংলাদেশ।
পর পর দু’টি মারাত্মক সহিংস ঘটনা ঘটিয়েও পরিস্থিতি কন্ট্রোলে নিতে না পারায় রাগে দুঃখে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে হাসিনা। খবর পেয়ে স্বজনরা ভীড় করেছে গণভবনে। সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করছে সে। ব্যর্থতার অভিযোগে গালাগালি করছে গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের। সম্ভবত, অসুস্থ হয়ে বিদায় নিচ্ছে হাসিনা।
একে একে পরিস্কার হয়ে আসছে গুলশান ঘটনার নেপথ্য নাটক। ১ জুলাই আর্টিজান বেকারীতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ১৮ জন বিদেশী নাগরিক সহ ২৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনা সারা বিশ্বে তোলপাড় তুললেও ঘটনার তদন্ত নিয়ে গত এক সপ্তাহে হাসিনা সরকারের চরম অবহেলা প্রমান করেছে ঘটনাটি সরকারেরই সৃষ্ট। ঘটনার পরপরই হাসিনা বক্তৃতায় বলেছিল, “আমার নির্দেশে ৬ জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে”। একজনকে জীবিত ধরা হয়েছে। যে ৬ জঙ্গিকে হত্যা করার দাবী করেছে সরকার, তাদের লাশ দেযা হয়নি স্বজনদের কাছে, এমনকি দাফনেরও কোনো খবর নাই। ৫ জঙ্গির লাশের বিষয়টি পুরাই রহস্যজনক। এমন কোনো লাশের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ধৃত জঙ্গি হিসাবে সুমন নামে যে যুবককে হাজির করার চেষ্টা করেছিল পুলিশ, আসলে সে হোটেলেরই একজন কর্মচারী। সে জঙ্গি নয়, বরং অন্যান্য জিম্মিদের মত হোটেল থেকে পালাতে গিয়ে সে ধরা পড়ে পুলিশের হাতে, অতপর তাকে জঙ্গি বানানোর চেষ্টা করে পুলিশ-একথা ব্যাপকভাবে প্রকাশ হয়ে পড়ে। সুমনের মা ছেলের ছবি নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাকে প্রকাশ পায়। ফলে তাকে আর “জজ মিয়া” বানানো যায়নি বিধায় আজ তাকে মৃত ঘোষণা করা হলো। এর মধ্য দিয়ে হাসিনা সরকারের সৃষ্ট “গুলশান এপিসোডে” তথাকথিত জঙ্গি চ্যাপ্টার ক্লোজ করা হয়। এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে গিয়ে ঘটানো হয় শোলাকিয়া হামলা। নিহত হয় দু্ই পুলিশ। সেখানেও অস্ত্রসহ ধরা পরে আওয়ামীলীগ কর্মী! তবে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কিছু যুবককে সন্ত্রাসী হিসাবে দেখানো হচ্ছে, এরা সম্ভবত আউটসোর্সিং করা হয়েছে।
গুলশান হত্যাকান্ড ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করলে বর্হিবিশ্বে বিশাল প্রশ্নের মুখে পড়েছে হাসিনা? বিশেষ করে জাপান ও ইটালি- যাদের ১৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক হত্যা করা হলো, তারা ছাড়বে না। দু’টি দেশই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র। তারা যুক্তরাষ্ট্রকে ইনভল্ব হওেয়ার জন্য প্রবল চাপ দিয়েছে। ভারত তাদের অফিসিয়াল টিম না পাঠানোর কথা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের আগমনে ভারত পিছটান দেয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র “ইন” করার ফলে আমি দেখতে পাচ্ছি – হাসিনার খেলা শেষ- হয় বিচার, নয় বিদায়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY