নিরব থেকেও কী রক্ষা পাওয়া গেল? বাঁচতে হলে জাগতে হবে

নিরব থেকেও কী রক্ষা পাওয়া গেল? বাঁচতে হলে জাগতে হবে

1224
0
SHARE

তাজউদ্দীন:

যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। আর একটি স্বাধীন দেশে তার প্রতিটি নাগরিকেরই অধিকার আছে সে দেশের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ লাভের। এক্ষেত্রে খুব যৌক্তিক ও সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কাউকেই অধিকার বঞ্চিত করার সুযোগ সরকার বা রাষ্ট্রের নেই। অথবা অযোগ্যদের অর্থ ও দলীয় পরিচয়ের কারণে চাকরি দেয়াও একটি নীতিভ্রষ্ট ও অন্যায় কর্মকাণ্ড।

সব শাসকের শাসনেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং ঘুষ নিয়ে চাকরি দেয়ার কমবেশি অপসংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু অতীতের সব রেকোর্ড ভেঙে বর্তমান ফ্যাসিস্ট ও দুর্নীতিবাজ অবৈধ সরকার কোন আইন ও নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজদলের অযোগ্যদের দেদারছে চাকরি দিচ্ছে। ঘুষ নিয়ে চাকরি দিচ্ছে। আর সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ভিন্নমতের বা নিরপেক্ষরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী পাবলিকলি এই অন্যায় কাজগুলো করছেন। আর তার ছায়াশ্রিত গণমাধ্যমগুলো এরজন্য তাকে বাহবা দিচ্ছে। কতটা নপুংসক সাংবাদিকতা, সুশীলতা। হাসিনার ভ্যানচালক ইমাম শেখের বিমান বাহিনীতে চাকরি কোন একক বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরঞ্চ লাখ ঘটনার একটি প্রকাশিত উদাহরণ।

অবৈধ এ সরকার ২০১৪ সালে ক্ষমতা দখল করে নেবার পর লিখেছিলাম যে, ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হলে বাংলাদেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। এই বিপর্যয় শুধু কোন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর উপর প্রযোজ্য হবে তা নয়। সাধারণ মানুষই বেশি বিপর্যস্ত হবে। সঙ্কটের মুখে পড়বে। আলেমসমাজের উদ্দেশ্যে বলেছিলাম, এটা ভাবার কোন কারণ নেই যে এই অবৈধ সরকার বা বাম-নাস্তিক এলায়েন্সরা শুধুমাত্র বিএনপি- জামায়াত- শিবিরকে উতখাতের চেষ্টা করছে। এরা আসলেই ইসলামবিরোধী। যখন যারা তসবি ছেড়ে মূল ইসলামের চর্চা বা অধিকারের পক্ষে কথা বলে তখন তারাই তাদের বিরোধী হয়ে ওঠে।

সম্প্রতি ঢাবি অধ্যাপক অজয় রায়, মুরগি কবির ও জাফর ষাঁড়ের বক্তব্য প্রমাণ করেছে, যে দল বা সংগঠন বা পক্ষ মৌলিক ইসলামের পক্ষে কথা বলবে তারাই তাদের টার্গেট। সে টার্গেটে সেই পক্ষকে দমন করতে জঙ্গি, মৌলবাদী, যুদ্ধাপরাধী বা তাদের দোসর অথবা পুনর্বাসনের দোষ চাপিয়ে তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে পরাস্ত করা হয়।

অর্থাৎ, যে দল বা সাধারণ মানুষ ভাবছেন অবৈধ হাসিনার ক্ষমতার অপব্যবহারে শুধূমাত্র বিএনপিজোট বিপর্যস্ত হবে আর আপনারা ভাল থাকবেন বা বেঁচে যাবেন সেটা কিন্তু আপনাদের অজ্ঞতাপূর্ণ চিন্তা। আওয়ামীলীগ এমন একটি দল যে দলের প্রধান মুজিব তার নিজের দলকেই নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামীলীগই ২১ আগস্ট ঘটিয়েছিল নিজেদের নেতৃবৃন্দকে শেষ করে দিতে। আর সেখানে সাধারণ মানুষরা! কুলাঙ্গার হাসিনার নৃশংস নখর থেকে কারও নিস্তার নেই। নিস্তার কি পেয়েছে ইসলামি ব্যাংক? সরকারকে তাদের চাহিদামত অর্থ দিয়ে, তাদের মনোনীতদের চাকরি দিয়েও কী ব্যাংকটি হাতে রাখতে পেরেছে? পারেনি। হাসিনা এমন এক কুলাঙ্গার সন্তানের জন্ম দিয়েছে যে তার মামার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করছে। আধুনিক ব্যাংক ডাকাত তত্ত্বের জনক সজীব ওয়াজেদ জয় এখন ব্যাংকের টাকা আত্মসাত করেই ক্ষান্ত নয়, সে এখন আস্তব্যাংক গিলে খাচ্ছে।

মাদ্রাসার হুজুররা সরকারের তোষণ করে কী রেহাই পেয়েছে? গতকালও বইমেলা থেকে শুধুমাত্র দাঁড়ি, টুপি আর পাঞ্জাবি পড়ার অপরাধে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদের কেউ বিএনপি, জামায়াত, শিবিরের লোক নয়। তাহলে একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রে দাঁড়ি, টুপি ও পাঞ্জাবি পড়ার স্বাধীনতাটুকু আছে কি? কিন্তু এর জন্য আলেমসমাজের অতীত নিরবতা দায়ী নয় কি?

শুরু করেছিলাম চাকরির বিষয় নিয়ে। আজ যারা যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েও চাকরি পেলেন না অথচ হাসিনার ভ্যান চালিয়ে পঞ্চম শ্রেণি পাশ ইমাম শেখ যখন বিমান বাহিনীর চাকরি পায় তখন কেন আপনারা কষ্ট পান? আপনারাতো জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সময় বলেছিলেন এটা হাসিনা- খালেদার ক্ষমতার লড়াই। আপনারা হরতাল, অবরোধের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, অথবা সে সময় বিসিএসের পড়া পড়েছেন। হয়তো সে সময় কোটাবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে আপনার কোন ভাই পুলিশের বুটের নিচে জীবন বিসর্জন দিয়েছে। আর আপনারা উটপাখির মতো চোখ বন্ধ করে বইয়ে বুঁদ হয়েছিলেন। আর বিএনপিজোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে ক্ষমতায় বসার আন্দোলন বলে ধিক্কার জানিয়েছেন।

মোদ্দা কথা হলো, এ অবৈধ সরকারের নখর থেকে কেউ রক্ষা পাবে না। এরা জাতির মেরুদণ্ডকে ভেঙে দিয়েছে বিভিন্ন আগ্রাসনের মধ্যদিয়ে। আজ জাতি উত্তরার আদনানের মৃত্যুতে থমকে গেছে। কিন্তু গ্যাং কালচার এখন প্রতিটি অলিগলিতে। ছাত্রদের হাতে বইয়ের বদলে ‍তুলে দিয়েছে অস্ত্র আর মাদক। আর সাথে পরীক্ষায় পাশ বা গোল্ডেন পাওয়ার নিশ্চয়তা। রাষ্ট্রপতির নাম জানে না, আই এ্যাম জিপিএ ফাইভ ট্রান্সলেট করা শিক্ষার্থীরা গোল্ডেন পেয়ে যাচ্ছে। ব্যস, অভিভাকরাও খুশি। আর পোলাপানগুলো পড়া বাদ দিয়ে রাস্তায় রাস্তায় আড্ডা মারছে, কার বা বাইক রেইস করছে, ইভটিজিং করছে সাথে মাদকতো আছেই। এদের প্রত্যেকটা গ্রুপকে শেল্টার দিচ্ছে সরকারদলীয় সংগঠনগুলো। এরা নেশায় বুঁদ হয়ে, ভারত, কোরিয়ার মতো বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ করে নিজেদের ইয়ো ইয়ো কালচারে নির্মাণ করছে। যে যুবক বা তরুণ বা কিশোররা সুস্থ জীবন যাপন করবে, সমাজের অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে তারা লীগের সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। পাড়ার উঠতি মাস্তান হিসেবে নিজেকে নির্মাণ করছে। আজ মাদক সম্রাট বোদিরা মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর মসজিদের ইমাম বা সত মানুষগুলো অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় হয় হত্যা হচ্ছে; নয় জেল জুলুমে জর্জরিত হচ্ছে।

নেতিবাচক পুলিশি বা গোয়েন্দা প্রতিবেদনের কারণে ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত ১৩৪ জনের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছিল। প্রায় প্রতি ক্ষেত্রেই প্রার্থীর নিজস্ব কোনো চারিত্রিক দোষ, অতীত কার্যকলাপ বা সন্দেহজনক আচরণ নয়, তাদের অভিভাবক বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের রাজনৈতিক পরিচিতি, এমনকি সে-সম্পর্কে অনুমিত ধারণাও তাদের নিয়োগপ্রাপ্তির বিপক্ষে কাজ করেছে। প্রার্থীরা জানেন না, তাদের জানার কোনো সুযোগ নেই, কেন বা কোন অপরাধে, শিক্ষা জীবনের নানা পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল সত্ত্বেও এবং বিসিএসের মতো একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সব ক’টি পর্যায় অতিক্রমের পরও, তারা চাকরি লাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অতীতে কখনো এত বেশি সংখ্যক প্রার্থী কেবল পুলিশি বা গোয়েন্দা রিপোর্টের কারণে এভাবে সরকারি চাকরি লাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হননি। স্বাধীন দেশে তো বটেই, ঔপনিবেশিক আমলে যে-বিদেশী শাসকরা এই নিয়মটি চালু করেছিল, তারাও এরকম ব্যাপকহারে এই নিয়মটির প্রয়োগ ঘটাননি।

অতীতে ইংরেজ শাসকরা তাদের ঔপনিবেশিক স্বার্থে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্টের নিয়ম চালু করেছিল। পুলিশ রিপোর্ট অনুকূল না হওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও সেদিন অনেক মেধাবী তরুণ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ লাভে ব্যর্থ হন। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষ বসু থেকে অনেকেরই নাম এ-প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায়। এদের অনেকেই পরবর্তীকালে দেশ ও জাতির সেবায় অনন্য অবদান রেখেছেন। তাদের বেলায় হয়তো বলা যায়, তারা সরকারি চাকুরে না হওয়ায় তাতে দেশ ও জাতির মহা উপকারই হয়েছে। কিন্তু সে আমলটা ছিল পরাধীনতার আমল। শাসকরা ছিল বিদেশী। সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে তাদের চাহিদা ছিল এমন একশ্রেণীর দেশীয় প্রজার, যারা ঔপনিবেশিক শাসকদের স্বার্থকে তাদের নিজেদের স্বার্থের সঙ্গে এক করে দেখবে, ঘুণাক্ষরেও ভিন্ন কোনো ভাবনাকে মনে ঠাঁই দেবে না। মোটকথা সিভিল সার্ভেন্ট বলতে সেদিনের শাসকরা বুঝত একদল সরকারি কর্মকর্তাকে, ভালোমন্দ যাই করুন, যাদের লক্ষ্য হবে শেষ পর্যন্ত এদেশে ঔপনিবেশিক শাসনস্বার্থকে রক্ষা করা, তাকে দীর্ঘমেয়াদি হতে সাহায্য করা। জনসেবক নয়, ব্রিটিশরা যা চাইত তা হল, দক্ষ কিন্তু তাদের বিশ্বস্ত ভৃত্য। উপনিবেশ হারাবার ভয় তাদেরকে সবসময় উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত রাখত। সরকারি কর্মচারী নিয়োগের বেলায় তাই তাদের অতিমাত্রায় সতর্ক থাকতে হত। চারিত্রিক সনদপত্র, পুলিশ ভেরিফিকেশন ইত্যাদি নিয়মের প্রচলন আসলে সে সতর্কতা থেকেই। দেশপ্রেমের অর্থ সেদিন ছিল ঔপনিবেশিক শাসন বিরোধী চেতনা।

হাসিনা আরও বড় ব্রিটিশ। ব্রিটিশদের রেকোর্ডও এই ডাইনী ভেঙে ফেলেছে। নেতিবাচক গোয়েন্দা প্রতিবেদনের জন্য এভাবে যারা নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছে, দেখা যায় তাঁদের অনেকেই সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। এরকম মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন সন্তানের পক্ষে বিসিএস ক্যাডার পোস্টে চাকরি পাওয়া আজও একটা সোনার হরিণ লাভের শামিল। এমন পরিবারের একটি মেধাবী পুত্র বা কন্যাকে নিয়ে তার বাবা-মাসহ পুরো পরিবারের অনেক স্বপ্ন থাকে। স্রেফ দায়িত্বহীনতা বা খামখেয়ালির বশবর্তী হয়ে কিংবা কোনো ঠুনকো অজুহাতে সে স্বপ্নকে ভেঙে চুরমার করার অধিকার কারোই থাকা উচিত নয়। এটি কেবল নিষ্ঠুরতাই নয়, নাগরিক তথা মানবাধিকারের লঙ্ঘনও বটে। সবচেয়ে বড় কথা, বর্তমান সময়ে মামা-চাচার জোর কিংবা দলীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া, কেবল নিজ মেধার জোরে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে ও তার প্রত্যেকটিতে আপন যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে এরা এই মনোনয়ন পেয়েছিলেন। বাবা-চাচার পরিচয়ে বা দলের ক্ষমতার জোরে নয়। আর প্রিলিমিনারি টেস্টের আগে থেকে মৌখিক পরীক্ষা পর্যন্ত কোনো পর্যায়েই তাঁদেরকে নিজের বা অভিভাবকের দলীয় আনুগত্য বা রাজনৈতিক বিশ্বাস বিষয়ক কোনো তথ্য-ছক পূরণ কিংবা এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিতে হয়নি (নাকি হয়েছে, আমরা জানি না)। তবে চাকরিতে নিয়োগদানের ক্ষেত্রে কেন বাবা-চাচা বা অন্য স্বজন-পরিজনের রাজনৈতিক পরিচয়টি বিবেচনায় আসবে? কারো বাবা মাদ্রাসার শিক্ষক, এটা কি তার নিয়োগ লাভের বিপক্ষে কোনো যুক্তি হতে পারে? কিংবা কারো বাবার জামায়াত বা বিএনপির লোকজনের সঙ্গে ওঠাবসা আছে, এমনকি যদি ধরেও নিই যে তিনি তেমন কোনো দলের সক্রিয় সদস্য, তাহলেও কি সে কারণে তার সন্তানকে প্রজাতন্ত্রের চাকরি থেকে বঞ্চিত করা যায়? কোন আইনে বা যুক্তিতে?

এ সরকার যে এতোটাই স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠছে তার দায় আমাদের সবার। আমাদের নিরবতা, আমাদের গা বাঁচিয়ে চলাই এরজন্য দায়ী। আপনি চুপ থেকে রক্ষা পাবেন না। হাসিনার দালালী করেও সাংবাদিকরাই রক্ষা পায়নি। সমকালের শিমুল তারই এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এখন সিদ্ধান্ত আপনার। চুপ থাকবেন; নাকি জুলুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন। আপনি চুপ থাকলেও হাসিনা আপনাকে গর্ত থেকে তুলে আপনার ভবখেলা সাঙ্গ করবে। কারণ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এসেছে রক্তের হলিখেলার শপথ নিয়ে। আপনি গর্তে পালাবেন, হাসিনা সেই গর্তে গরম তেল ঢেলে দিবে।

হাসিনা আবারও জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা শুরু করেছে। স্বঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা, জনতার মঞ্চ ও মুজিব বাহিনীর সদস্যকে সিইসি বানিয়েছে। আবারও একপক্ষীয় নির্বাচনের নীলনক্সায় আগাচ্ছে আ’লীগজোট। এখনই সময় প্রতিবাদী হয়ে ওঠার। নচেত আপনি বেঁচে থাকারও সুযোগ পাবেন না। জনগণের সম্মিলিত প্রতিবাদের মুখে কোন শাসকের রক্তচক্ষু টিকতে পারে না। আপনাদের জাগরণ রক্ষা করবে বাংলাদেশনামক দেশটিকে, রক্ষা করবে আপনাকে, আমাকে; ১৭ কোটি মানুষকে।

 

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY