শেখ কামাল এর ইতিহাস

শেখ কামাল এর ইতিহাস

35
0
SHARE

শেখ হাসিনার দাবী, “শেখ কামাল ছিল বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এবং বেঁচে থাকলে সে জাতিকে অনেক কিছু দিতে পারতো!” আসুন জানা যাক- কেমন প্রতিভাবান ছিল?

১) স্বাধীনতার পর ছাত্ররাজনীতি নিয়ন্ত্রন করতে আইয়ুবের পাঁচ পাথরের স্থানে যায়গা নেয় আওয়ামী লিগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ। বাকিদের ছাত্র রাজনীতিকে পায়ের তলায় গুড়িয়ে দেবার জন্য শেখ কামালের নেতৃত্বে আওয়ামী ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসের আশ্রয় নেয়। কামালের আশ্রয়ে জন্ম নেয় আওরঙ্গ, লুকু, হান্নানদের মত ভয়ানক খুনি সন্ত্রাসিদের। তাদের ফ্যাসিস্ট কর্মকান্ডের ফলে ক্যাম্পাসে ভিন্নমতালম্বি ছাত্র সংগঠনগুলি ছিল সব সময়েই কোনঠাসা।

২) শুধু অন্য ছাত্র সংগঠনের ছাত্রদের পিটিয়ে সোজা করাই নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা নারীদের উপর পাশবিক নির্যাতন চালানোও কামাল বাহিনীর কাজ হয়ে পড়ে। চুহাত্তরের ২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারের প্রভাত ফেরী শেষে বাড়ি ফিরতে থাকা ১৭ জন ছাত্রিকে অপহরন করে নিয়ে যায় কামাল বাহিনী। কামাল বাহিনীর লালসার শিকার হয়ে লোকলজ্জা এবং আরো ভয়াবহ নির্যাতনের আশংকায় তারা হয়ে যায় নিভৃতচারি। সংবাদপত্রগুলি ভাসা ভাসা এবং খুব অল্প গুরুত্ব দিয়ে খবরটি ছাপে। তবে তখনকার ঢাবি স্টুডেন্টদের স্মৃতির মণিকোঠায় খবরটি ঠিকই রয়ে যায়। এরপর মহসিন হলের এক শিক্ষক প্রোভোস্টের স্ত্রীকেও ছাত্রলীগ তুলে নিয়ে সম্ভ্রমহানি করে। ঢা বির ইতিহাসে এধরণের উদাহারণ বোধ করি আর কোনদিন সৃস্টি হবে না। ব্যাপারটি এমন আলোড়ন তুলেছিল যে, খান আতা তার “আবার তোরা মানুষ হ” ছবিটিতে এই ঘটনাটি তুলে দিয়েছিলেন।

৩) তবে ঢাবির উদীয়মান সেরা অ্যথেলেট সুলতানা ছিলেন সত্যি ভাগ্যবতী। কেননা তাকে ঐ ১৭ জন নির্যাতিতা কিংবা শিক্ষকের স্ত্রীর পরিণতি বরণ করতে হয়নি। শুধু কামালের অস্ত্রের মুখে ছিনতাই হয়ে নিজ ও পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে শেখ কামালকে স্বামী হিসেবে বরণ করতে হয়েছে। এহেন বিব্রতকর কাজে বিরক্ত হয়ে শেষে সুলতানার সাথে বিয়ে দিয়ে দেন মুজিব।

৪) মজিবের শাসনকে বিরোধী দল মুক্ত করতে কামালের স্টেনগান পার্টি সারা ঢাকা শহর চসে বেড়াত। যুবকদেরকে ধরে ধরে ঢোকাত আবাহনী ক্লাবে। বেশীর ভাগই নিহত হয়েছিলেন। আহমদ ছফাকেও ধরার জন্য কামালের বাহিনী দৌড়িয়েছিল। রাজধানীর মুর্তিমান আতঙ্ক ছিল কামাল।

৫) মতিয়া চৌধুরীকে প্রেসক্লাবের সামনে ধাওয়া করে ধর্ষনের চেষ্টা করে শেখ কামাল। ছেড়া কাপড়চোপড় নিয়ে তাকে রক্ষা করেন সফিউল আলম প্রধানরা।

৬) ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেভেন মার্ডারের জন্য দায়ী শেখ মুজিবের ছেলে শেখ কামাল।

৭) আবাহনী ক্লাবের সাথে ফুটবল খেলার সময় বিপক্ষ দলের গোল পোষ্টের পিছনে স্টেনগান নিয়ে দাড়িয়ে থাকত কামাল, যাতে করে গোলকীপার বল ছেড়ে দিয়ে আবাহনীর বিজয় নিশ্চিত হয়।

৮) ১৯৭৩ সালের শেষের দিকে ঢাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে লোমহর্ষক ব্যাংক ডাকাতি করে। পুলিশ ডাকাতদের ধাওয়া করলে দু’পক্ষেই গুলি বিনিময় হয়। ৬ জন ডাকাত ধরা পড়ে। এই ৬ জনের একজন ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমানের জেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল। শেখ কামালসহ কয়েকজন দুস্কৃতিকারী আহত হয় পুলিশের গুলিতে। কিন্তু পুলিশের বিবৃতিতে পরে বলা হয়, “দুস্কৃতিকারীদের ধাওয়াকালে দুর্ঘটনাক্রমে শেখ কামাল ও তার সঙ্গীরা পুলিশের গুলিতে আহত হয়।” কোথাও কোনো খুন, ডাকাতির ঘটনার খবর পেলেই শেখ মুজিব স্ত্রীকে ফোন করে খোঁজ দিতো, “হাসুর মা, দেখো তো কামাল ঘরে আছে কি না?” এরপরে আর কামাল চরিত্র নিয়া বলার কিছু আছে কি?

৯) “১৯৭৪ সালের এক বিকেল। মিতু নিউমার্কেট গেল শপিং করতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাত্র অনার্স শেষ করেছে। বয়স ২৩/২৪। অসাধারন সুন্দরী। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। মিতুর বাবা ৪৭ সালে ভারত থেকে বাংলাদেশে মাইগ্রেট করেন। খুব ধনী পরিবার। শিপিং বিজনেস। জুট এক্সপোর্ট তাদের মেইন বিজনেস। একজন সত্যিকার বাংলাদেশি। স্বাধীনতা চাইতেন মন থেকেই। সেই সময় আওয়ামী লীগকে ২ কোটি টাকা ডোনেটও করেন।
মিতুর দিকে দৃষ্টি পড়ে শেখ কামালের। শেখ কামাল তখন পরিচিত ছিল ‘কিং কোবরা’ হিসেবে। rape was very common factor for him, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রুম বরাদ্ধ ছিল শুধু এই কাজের জন্য। মেয়েরা বাধ্য হত সেই রুমে ঢুকতে। কে চায় মারা যেতে ? কে চায় তার পরিবারকে ধংস হতে দেখতে? শেখ কামালের একটি গ্যাং ছিল এই কাজের জন্য। সেই সময় এই গ্যাং ফেমাস ছিল। তাদের ফান করার স্হান ছিল আবাহনী ক্লাব। কারা ছিল গ্যাং এ ? বর্তমানের বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমান, এসপি মাহবুব ছিল এই গ্যাং এর কী পারসন। মাহবুব মুন্সিগন্জের and he was the head of killer force.
মিতুকে শেখ কামাল এবং তার গ্যাং তুলে নেয় নিউমার্কেট থেকে। প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পরে আবাহনী ক্লাব। মিতু গ্যাং রেপের শিকার হয়।
এই ঘটনা শুনে শেখ মুজিবের মন্তব্য ছিল “that is why I have made BAKSAL”
ঘটনার পর মিতু এবং তার পরিবার সমস্ত বাংলাদেশিকেই ঘৃনা করতে শুরু করে। কানাডাতে চলে যায় তারা। মন্ট্রিলে আছে বর্তমানে। মিতু বিয়ে করে একজন পাকিস্হানীকে। তারা আর কখনোই বাংলাদেশে ফিরে আসেনি। কোন বাংলাদেশির সাথে যোগাযোগও রাখেনি।
শেখ মুজিব তার ছেলের বিচার করেনি। বাংলাদেশের জনগন সেই বিচার করেছে ১৫ আগষ্ট। আর সালমান এফ রহমানের বিচার করেছে আল্লাহ। তার একমাত্র মেয়ে প্রায় ৮ বছর আগে ইংল্যান্ডে পড়াশোনা করত যখন, মাতাল অবস্হায় গ্যাং রেপ হয় তারপর বাঁচতে গিয়ে ৮তলা থেকে লাফ দিয়ে মারা যায়।
উপরে শেখ কামালের একটি মাত্র ঘটনা জানা গেল। আরো কত এমন ঘটনা লোকচক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে আছে…..!!
বিঃদ্রঃ ‘মিতু’ ছদ্ম নাম ব্যবহার করা হয়েছে, আসল নাম দিলে বাংলাদেশের অনেকেই চিনে ফেলবে। কারন মিতু বাংলাদেশের এক বনেদী পরিবারের সন্তান। বর্তমানে তিনি বৃদ্ধা, পুত্র-কন্যা নাতি নাত্নিদের নিয়ে প্রবাসে দিন পার করছেন। কিছু সময় সোস্যাল মিডিয়াতে লেখালেখি করেন। (Courtesy @ জাতির নানা)“

১০) ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সকালে শেখ মজিবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা ছিল। শেখ কামাল নিজেই তার বাহিনী নিয়ে ক্যাম্পাস পাহারায় নেমে পড়ে। ১৪ আগষ্ট রাতে তার থাকার কথা ছিল ক্যাম্পাসে। কিন্তু সে চলে যায় বাসায়। ১৫ আগস্ট সকালে ৩২ নম্বরের বাড়ি ঘেরাও করে শেখ মুজিবকে আটক করে নিয়ে যেতে চায় মেজর মহিউদ্দিন ও মেজর নূরের বাহিনী। কিন্তু কামাল তার স্টেনগান থেকে গুলি শুরু করে, যাতে মারা যায় একজন সৈনিক আহত হয় কয়েকজন। ওপর থেকে শেখ জামালও ব্রাশ ফায়ার করে। এরপরেই আগস্ট বিপ্লবের নায়কদের পাল্টা গুলিতে প্রথমে নিহত হয় কামাল, পরে শেখ মজিব, আর শেষে গ্রেনেডে জামাল ও অন্যরা। শেখ কামাল অস্ত্র দিয়ে বাপকে বাঁচাতে গিয়ে সেই অস্ত্রের আঘাতেই পরিবার সুদ্ধা খতম নিশ্চিত করে। এই হলো তার অবদান!

শেখ কামাল এই সব অসম্ভব গুণের অধিকারী ছিল! বেঁচে থাকলে ঢাকা শহর ভরে যেত কামালের সন্তানে। জাতি বুঝতে পারত “জাতীয় ভাই’ কি বস্তু! তবে সেক্ষেত্রে হাসিনার আর প্রধানমন্ত্রী হওয়া লাগত না। ওয়াজেদ মিয়ার ভাতের হাড়ি ঠেলেই জীবন পার করতে হতো ঘসেটিকে। ঝয়বাংলা!

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY